হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিন

হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিন November 13, 2015 0 comments

রঙিন ডেস্ক: নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ৬৭তম জন্মদিন আজ। ১৯৪৮ সালের এই দিনে পৃথিবীতে এসেছিলেন সাহিত্যাকাশের এ উজ্জ্বল নক্ষত্র। বরাবরের মতো এবারো নানা আয়োজনে পালিত হচ্ছে হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিন। কিন্তু তিনি তো নেই। গত বছরের ১৯ জুলাই চলে গেছেন অদেখা ভুবনে। বলা হয়, মৃত মানুষের জন্মদিন পালন করা আর না করা একই কথা। কারণ, জন্মদিন তো দীর্ঘায়ুর প্রত্যাশায় পালন করা হয়। তবু মন মানে না। তার লেখার মতো বলতে হয়, ‘পাখি উড়ে গেলেও পালক ফেলে যায় আর মানুষ চলে গেলে ফেলে রেখে যায় স্মৃতি।’

সহজ ভাষায় লেখনির জাদুতে পাঠক হৃদয়ে তৈরি করেছেন এক আলাদা স্থান। বলা হয়, বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখক তিনি।

ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার ও গীতিকার হিসেবে হুমায়ূন আহমেদের আসল পরিচিতি। ভিন্নধর্মী নাটক ও চলচ্চিত্র নির্মাণ করেও মিডিয়াতে একটি নিজস্ব ধারা উন্মোচন করেছেন। যা আজও দর্শকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণের।

পেশাজীবনে তিনি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক। পরবর্তীতে সাহিত্যের প্রতি মনোযোগ দিতে অধ্যাপনা ছেড়ে দেন।

দুই শতাধিক গ্রন্থের লেখক হুমায়ূন আহমেদের বিশেষ উপন্যাসগুলোর মধ্যে রয়েছে নন্দিত নরকে, মধ্যাহ্ন, জোছনা ও জননীর গল্প, মাতাল হাওয়া ইত্যাদি।

তার সৃষ্ট জনপ্রিয় চরিত্রগুলোর মধ্যে হিমু ও মিসির আলী অন্যতম।

হুমায়ুন আহমেদ নির্মিত উল্লেখযোগ্য ও জনপ্রিয় চলচ্চিত্র হচ্ছে দুই দুয়ারী, শ্রাবণ মেঘের দিন, দারুচিনি দ্বীপ, ঘেঁটুপুত্র কমলা ইত্যাদি।

২০১২ সালে নির্মিত ঘেঁটুপুত্র কমলা ছিলো হুমায়ূন আহমেদের পরিচালিত শেষ চলচ্চিত্র। দীর্ঘ নয় মাস মলাশয়ের ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০১২ সালের ১৯ জুলাই নিউ ইয়র্কের বেলেভ্যু হসপিটালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

হুমায়ূন আহমেদ তার সৃষ্টির মাধ্যমে পাঠক ও দর্শক মনে যে স্থান তৈরি করেছেন, তা অভিন্ন ও অপরিবর্তনীয়। তিনি আজও বেঁচে রয়েছেন তার লেখা ও তার সৃষ্ট চরিত্রগুলোর মধ্যে।

জন্মদিনে প্রিয় লেখকের জন্য রইলো শ্রদ্ধাঞ্জলি।
আরপি/ এএইচ

No Comments so far

Jump into a conversation

No Comments Yet!

You can be the one to start a conversation.

Your data will be safe!Your e-mail address will not be published. Also other data will not be shared with third person.