শেষ ছুটির দিনে প্রাণবন্ত বইমেলা

শেষ ছুটির দিনে প্রাণবন্ত বইমেলা 0 comments

রঙিন ডেস্ক: আজ শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) এবারের একুশে বইমেলার মেলার শেষ ছুটির দিন। বাংলা একাডেমি ঘোষিত শিশু প্রহর না হলেও কচিকাঁচার অভাব ছিলোনা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। সকাল থেকে দুপুর যেনো ছিলো শিশুদের রাজ্য। বাবা মায়ের হাত ধরে শিশুদের পদচারণায় মুখরিত ছিলো পুরো মেলা।

মেলার ২৭তম দিনের প্রধান আকর্ষণ ছিলো শিশুদের জনপ্রিয় পাপেট শো সিসিমপুর। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এদিন সরাসরি প্রদর্শিত হয় এ অনুষ্ঠান। হালুম, টুকটুকি, ইকরি চরিত্রগুলো শিশুদের কাছে এসময় স্বপ্নের মতো ধরা দেয়।

নাচে, গানে আর কথায় উদ্যানের পুরো প্রাঙ্গণ মাতিয়ে দিয়েছে জনপ্রিয় শিশুতোষ অনুষ্ঠান সিসিমপুরের চরিত্ররা। এতোদিন টেলিভিশনের পর্দায় দেখে আসা জনপ্রিয় এ চরিত্রগুলো সরাসরি দেখে আনন্দের সীমা ছিলো না শিশুদের। আজ বেলা ১২টায় শুরু হয়ে আধঘণ্টা চলে এ অনুষ্ঠান। বিকেল ও সন্ধ্যায়ও থাকছে শিশুদের জন্য এ আয়োজন।

BOIBELAসিসিমপুরে জনপ্রিয় চরিত্র হালুম, টুকটুকি, ইকরিরা এ নামগুলো বাংলাদেশের শিশুদের কাছে অনেক পরিচিত নাম। সিসিমপুর নামের টেলিভিশন অনুষ্ঠানে এ চরিত্রগুলোর কেউ বই পড়তে, কেউ মাছ খেতে আবার কেউ ভাবতে ভালোবাসে।

অনুষ্ঠানটি উপভোগ করার জন্য সকাল থেকেই অপেক্ষায় ছিলো শিশুরা। অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার আগে কে কার আগে বসবেন এ নিয়েও ছিলো প্রতিযোগিতা। সন্তানদের সামনে দিয়ে বাবা মায়েরা পেছনে দাঁড়িয়েছেন।

অনুষ্ঠানটি উপভোগ করতে ধানমন্ডি থেকে বাবা মায়ের সঙ্গে আসা ৬ বছর বয়সী লাবিব বলেন, ‘হালুম, টুকটুকি, ইকরি দেখে আমার ভালো লেগেছে। অনুষ্ঠান শেষে আমি তাদের সঙ্গে হাতও মিলিয়েছি।’ বড়রাও শিশুদের মতো সমানতালে উপভোগ করেছেন সরাসরি সিসিমপুর অনুষ্ঠানটি।

শিশুদের পাশাপাশি অভিভাবকরা বললেন , ‘চরিত্রগুলো তাদেরও প্রিয়। বাচ্চাদের সঙ্গে তারাও উপভোগ করেছেন এ অনুষ্ঠান।’

সাপ্তাহিক ছুটির দিন ও মেলার শেষ শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) হওয়ায় গতকাল পুরো দিনই বইমেলা ছিলো জমজমাট, প্রাণবন্ত।

আজ বইমেলার দুয়ার খোলা হয় সকাল সাড়ে ১০টায়। বেলা ১২টার আগেই শিশুরা জড়ো হয় সিসিমপুর বটতলায়। এদিন উদ্যানজুড়েই ছিলো তাদের পদচারণা। পুরো পরিবেশ হয়ে ওঠে শিশুমুখর। দুপুরে সিসিমপুর যখন শেষ হয়েছে তখন অনেক শিশু বায়না ধরেছে আবার এ আয়োজনটি করার জন্য। তখন সিসিমপুরের পক্ষ থেকে বলা হয়, বিকেল ৪টায় এবং সন্ধ্যা ৬টায় এ অনুষ্ঠানটি আবার আয়োজন করা হবে।

এদিকে শনিবার বেলা যত গড়াচ্ছে লোক সমাগমও তত বাড়ছে। প্রকাশকরা প্রত্যাশা করছেন সরকারি সাপ্তাহিক ছুটির দিনে তাদের বিক্রি-বাট্টা ভালো হবে।

উল্লেখ্য, এছাড়াও বইমেলায় থাকছে মূলমঞ্চের আয়োজন:

আজ বিকেলে গ্রন্থমেলার মূল মঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে ৬ দফার পঞ্চাশ বছর শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। এতে প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ।

আলোচনায় অংশ নেবেন ড. আবুল বারকাত, সুভাষ সিংহ রায় এবং অজয় দাশগুপ্ত। সভাপতিত্ব করবেন ড. কাজী খলীকুজ্জামান আহমদ। সন্ধ্যায় রয়েছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

এমএস/এএইচ

No Comments so far

Jump into a conversation

No Comments Yet!

You can be the one to start a conversation.

Your data will be safe!Your e-mail address will not be published. Also other data will not be shared with third person.