মধুচন্দ্রিমার জন্য ভারতের মানালি আদর্শ স্থান

মধুচন্দ্রিমার জন্য ভারতের মানালি আদর্শ স্থান 0 comments

রঙিন ডেস্ক: হিমালয় ভ্রমণের লক্ষ্য ভারতের মানালি অত্যান্ত জনপ্রিয় একটি স্থান। হিমাচল প্রদেশের এই স্থানটিতে প্রতি বছর কয়েক লাখ ভ্রমনকারী মানালি যায়। ভারতের গ্রীষ্মকালের বিপরীত শীতল পরিবেশ এখানকার বৈশিষ্ট্য.

মানালি স্কিইং, হাইকিং, পর্বতারোহন, প্যারাগলাইডিং, রাফটিং, ট্রেকিং, কায়াকিং আর মাউন্টেন বাইকিং এর মতো এডভেঞ্চার স্পোর্টস’এর জন্য বিখ্যাত। এখানকার ইয়াক স্কিইংএক অনন্য স্পর্ট। চূড়ান্ত ইয়াক স্পোর্টস এর জন্য টাইম ম্যাগাজিন-এর ‘মানালি এশিয়াশ্রেষ্ঠ’ বলে উল্লেখিত করা হয়েছে।এখানকার উষ্ণ প্রস্রবণ ধর্মীয় কুঠি ও তিব্বতী বৌদ্ধ মঠও দর্শনীয়।

গত কয়েক বছর ধরে মানালি মধুচন্দ্রিমা যাপনকারীদের কাছে পছন্দের জায়গা হয়ে উঠেছে। পরিসংখ্যান বলে, মে, জুন, ডিসেম্বর আর জানুয়ারি মাসে ৫৫০ জনের মতো দম্পতি প্রতিদিন মধুচন্দ্রিমার জন্য মানালিতে আসে। আর বাকি সময় দৈনিক ৩৫০ জনের মতো দম্পতি মানালিতে মধুচন্দ্রিামা উদযাপন করে।

মানালি পরিচিত তার উজ্জ্বল গুম্ফা আর বৌদ্ধ মঠগুলোর জন্য। গোটা কুলু উপত্যকার মধ্যে এখানেই তিব্বতী উদ্বাস্তুদের উপর সবচেয়ে বেশি মনোযোগ দেওয়া হয়। ১৯৬৯ সালে স্থাপিত এখানের বিখ্যাত গাধন থেকছোক্লিং গুম্ফা। স্থানীয় সম্প্রদায়ের আর্থিক সাহায্যে এবং মঠের কর্মশালায় প্রস্তুত হাতে বোনা কার্পেট বিক্রী থেকে অর্জিত অর্থ হতে এই মঠের রক্সবেক্ষণ করা হয় আকারে একটু ছোট আরও আধুনিক হিমালয়ান নিইংগাম্পা গুম্ফা, বাজার সন্নিকট এক সূর্যমুখী ফুলের বাগান এর বৈশিষ্ঠ।
মানালির ইতিহাস
প্রাচীনকালে এই উপত্যকায় বিক্ষিপ্ত ভাবে ‘রাক্ষস’ নামে এক যাযাবর শিকারী সম্প্রদায়ের লোক বসবাস করতো। পরবর্তী কালে আগমন ঘটে কাংরা উপত্যকা থেকে আসা মেষপালকদের, এরা এখানে কৃষি কাজের জন্য বসতি স্থাপন করে। এ অঞ্চলের প্রাচীনতম বসবাসকারীদের অন্যতম ছিল ‘নৌর’ অথবা ‘নর’, কুলু উপত্যকায় এরা এক বিচিত্র প্রজাতি। এখনো অল্প কয়েক ঘর ‘নর’ পরিবার এখানে বসবাস করছে। মানালির পশ্চিম তীরে হরিপুরের কাছে সোয়াল গ্রামে এক ‘নৌর’ পরিবার ছিল। বস্তির জমির অধিকার বলে রাক্ষসদের শ্রমজীবি হিসেবে ব্যবহার করে বিখ্যাত হয়েছিল এই পরিবার।

এএইচ

No Comments so far

Jump into a conversation

No Comments Yet!

You can be the one to start a conversation.

Your data will be safe!Your e-mail address will not be published. Also other data will not be shared with third person.