ফিফার বর্ষসেরাও রোনালদো

ফিফার বর্ষসেরাও রোনালদো January 10, 2017 0 comments

রঙিন ডেস্ক : এ বছরের ব্যালন ডি’অর উঠেছে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর হাতে। এবার ফিফার বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও জিতলেন রোনালদো। ২০১৬ সালের সেরা খেলোয়াড় হওয়ার দৌড়েও পতুর্গিজ যুবরাজের প্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসি হয়েছেন দ্বিতীয়। আর তৃতীয় হয়েছেন আন্তোয়ান গ্রিয়েজমান।

২০০৮ সালের পর আবারও পুরস্কারটি জিতলেন রোনালদো। মাঝে ২০১৩ ও ২০১৪ সালে জিতলেও সেই পুরস্কারটি ফিফা দিয়েছে ফরাসি ম্যাগাজিন ‘ফ্রান্স ফুটবল’-এর সঙ্গে মিলে ফিফা-ব্যালন ডি’অর। ছয় বছরের চুক্তি শেষে এবার পুরস্কারটি আলাদা হলেও জয়ীর নাম থাকল একই। ২০১৬ সালের ব্যালন ডি’অর জয়ের পর রোনালদো হাতে তুললেন ফিফার বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের নতুন ট্রফিটাও।

জুরিখের জমকালো অনুষ্ঠানে ‘দ্য বেস্ট’ নামে ফিফা অ্যাওয়ার্ড চালু হলো এবার থেকে। সেই অনুষ্ঠানে বর্ষসেরা খেলোয়াড় হিসেবে রোনালদোর নাম ঘোষণার আগেই অবশ্য একরকম জানা হয়ে গিয়েছিল পুরস্কার জয়ীর নাম। ব্যালন ডি’অরের মতো ফিফার সেরা খেলোয়াড় হিসেবেও ফেভারিট মানা হচ্ছিল রিয়াল মাদ্রিদ উইঙ্গারকে। গত বছরের সাফল্যে যে সবাইকে ছাড়িয়ে রোনালদো। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে প্রথমে জিতলেন চ্যাম্পিয়নস লিগ, এর পর আবার জাতীয় দল পর্তুগালকে প্রথমবারের মতো জেতালেন ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ।

ব্যালন ডি’অরের পর ফিফার সেরা খেলোয়াড়েও মেসি হারলেন তার প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে। ফিফা এককভাবে শেষবার যখন দিয়েছিল পুরস্কারটি, সেই ২০০৯ সালে ট্রফিটা পেয়েছিলেন আর্জেন্টাইন খুদে জাদুকর। ছয় বছর পর আবার যখন এককভাবে পথ চলা শুরু করল ফিফা অ্যাওয়ার্ড, তখন আবার ট্রফিটা উঠল রোনালদোর হাতে।

১৯৯১ সাল থেকে ফিফা চালু করেছে বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারটি। প্রথমবার জিতেছিলেন জার্মানির লোথার ম্যাথাউস। সবচেয়ে বেশিবার জিতেছেন জিনেদিন জিদান ও ব্রাজিলিয়ান রোনালদো, সাবেক দুই রিয়াল কিংবদন্তীই বর্ষসেরা হয়েছেন ৩ বার করে।

মেয়েদের ফুটবলের বর্ষসেরা খেলোয়াড় হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের কার্লি লয়েড। তিনি পেছনে ফেলেছেন জার্মানির মেলানিয়ে বেহরিঙ্গার ও ব্রাজিলের মার্তাকে। ফিফা ডটকম।

আরপি/ এএইচ

No Comments so far

Jump into a conversation

No Comments Yet!

You can be the one to start a conversation.

Your data will be safe!Your e-mail address will not be published. Also other data will not be shared with third person.