‘ তুষারের পাঁচ ধনদৌলত ’ অপরুপ কাঞ্চনজঙ্ঘা

‘ তুষারের পাঁচ ধনদৌলত ’ অপরুপ কাঞ্চনজঙ্ঘা 0 comments

রঙিন ডেস্ক: হিমালয় পর্বতমালার পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট ও কে২ এর পরে কাঞ্চনজঙ্ঘা হলো পৃথিবীর তৃতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ যার উচ্চতা ৮ হাজার ৫৮৬ মিটার (২৮ হাজার ১৬৯ ফুট)। এইটি ভারতের সিকিম রাজ্যের সঙ্গে নেপালের পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তে অবস্থিত।

কাঞ্চনজঙ্ঘা শব্দটি শুনে তৎসম কাঞ্চন + জঙ্ঘা মনে হলেও আসলে নামটি সম্ভবতঃ স্থানীয় শব্দ ‘কাং চেং জেং গা’ থেকে এসেছে, যার অর্থ তেনজিং নোরগে তার বই, ম্যান অফ এভারেস্ট (Man of Everest)-এ লিখেছেন ‘ তুষারের পাঁচ ধনদৌলত ’। এটির পাঁচ চূড়া আছে তাদের চারটির উচ্চতা ৮, ৪৫০ মিটারের ওপরে। এ ধনদৌলত ঈশ্বরের পাঁচ ভান্ডারের প্রতিনিধিত্ব করে, এগুলো হলো- স্বর্ণ, রূপা, রত্ন, শস্য, এবং পবিত্র পুস্তক।

বাংলাদেশের পঞ্চগড় থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যায়। কেও না দেখলে এ কথা বিশ্বাস করবেন না। তেঁতুলিয়া থেকে সারা বছর-তো আর কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যায় না। সাধারণতঃ অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে নভেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত আকাশে যখন মেঘ থাকে না, আবার কুয়াশাও পড়া শুরু হয়নি শুধুমাত্র তখনই তেঁতুলিয়া থেকে দেখা যায় বরফে ঢাকা ধবল পাহাড়ের চুড়া। দার্জিলিং-এর কাঞ্চনজঙ্ঘা! বাংলাদেশের আর কোনো প্রান্ত থেকে কোনো বরফ ঢাকা পাহাড় চুড়া দেখার সুযোগ পাবেন না আপনি।

রাতে তেঁতুলিয়া থেকে শিলিগুড়ির আলো দেখা যায় স্পষ্ট। ওই পাহাড়েরই অপর ঢালে দার্জিলিং। দার্জিলিং-এ যারা বেড়াতে যান তাদের কাছে প্রধান আকর্ষণ বরফে ঢাকা কাঞ্চনজঙ্ঘার উপর সূর্যোদয়ের সময় দিনের প্রথম সূর্যকিরণের ঝিকিমিকি। অভুতপূর্ব সে এক ভাললাগা দৃশ্য!

সকাল ৮টা থেকে সূর্যকিরণ যখন তেজ হতে থাকে তখন স্পষ্ট হয়ে ধরা দেয় কাঞ্চনজঙ্ঘা। সকাল ১০টা পর্যন্ত বেশ ভাল দেখা যায়। তারপর আস্তে আস্তে ঝাপসা হতে থাকে কাঞ্চনজঙ্ঘা। শেষ বিকেলে সূর্যকিরণ আবার যখন তির্যক হয়ে পড়ে বরফ পাহাড়ে… তখন অপূর্ব মহিমায় অন্যরূপে ধরা দেয় কাঞ্চনজঙ্ঘা!
এসএল/এএইচ

No Comments so far

Jump into a conversation

No Comments Yet!

You can be the one to start a conversation.

Your data will be safe!Your e-mail address will not be published. Also other data will not be shared with third person.