অনন্যা সাহিত্য পুরস্কার পাচ্ছেন নিশাত আমিন

অনন্যা সাহিত্য পুরস্কার পাচ্ছেন নিশাত আমিন 0 comments

রঙিন ডেস্ক: গবেষণা ও প্রবন্ধ সাহিত্যে বিশেষ অবদান রাখার জন্য এবারের ‘অনন্যা সাহিত্য পুরস্কার’ পাচ্ছেন অধ্যাপক সোনিয়া নিশাত আমিন। বরেণ্য এ গবেষক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান। পাশাপাশি তিনি বাংলা একাডেমির ফেলো এবং জাতীয় জাদুঘরের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য।

সাহিত্যে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৯৩ থেকে প্রতিবছর একজন নারী সাহিত্যিক বা সাহিত্য-গবেষককে অনন্যা সাহিত্য পুরস্কার প্রদান করা হয়। জাহানারা ইমাম, সেলিনা হোসেন, রিজিয়া রহমান, নীলিমা ইব্রাহিম, দিলারা হাশেম, রাবেয়া খাতুন, সনজীদা খাতুন, নূরজাহান বেগম, রাজিয়া খান, রুবী রহমান, পূরবী বসু, আনোয়ারা সৈয়দ হক, মকবুলা মনজুর, ঝর্ণাদাশ পুরকায়স্থ, সালেহা চৌধুরীর মত মহীয়সীরা এ পুরস্কার দ্বারা সম্মানিত হয়েছেন।

আগামী ৫ ডিসেম্বর রাজধানীর ছায়ানটে নিশাত আমিনের হাতে ‘অনন্যা সাহিত্য পুরস্কার ১৪২২’  তুলে দেয়া হবে।

নারী বিষয়ক উল্লেখযোগ্য গবেষণা ও প্রকশনার জন্যে এর আগে তাকে এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশ কর্তৃক আতোয়ার হোসেন স্বর্ণপদকে ‍ভূষিত করা হয়।

নিশাত আমিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭৭ সালে এমএ ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর যুক্তরাজ্যের ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটিতে অধ্যয়ন করেন। পরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে সমাজবিজ্ঞানে এমএ ডিগ্রি লাভ করেন। দীর্ঘকাল ধরে তিনি ঊনিশ এবং বিশশতকের বাংলার সামাজিক ইতিহাস বিষয় নিয়ে গবেষণা করেছেন। এই বিষয়ে গবেষণার অংশ হিসেবে তার ত্রিশটিরও বেশি প্রবন্ধ দেশে-বিদেশে প্রকাশিত হয়েছে। ‘দ্য ওয়ার্ল্ড অব মুসলিম উইমেন ইন কলোনিয়াল বেঙ্গল : ১৮৭৬-১৯৩৯’ বিষয়ে গবেষণার জন্যে ১৯৯৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। এ গবেষণায় তিনি তিন প্রজন্মের বাংলার মুসলিম নারীর আধুনিক ও স্বাধীন হয়ে ওঠার প্রক্রিয়া তুলে ধরেন। এজন্য তাকে বাঙালি নারীর বিবর্তনমূলক সামাজিক ইতিহাসের একজন বিশেষজ্ঞ বলে আখ্যায়িত করা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জেন্ডার অ্যান্ড হিস্টোরি কোর্স প্রবর্তনে তার অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তরুণী বয়সে তিনি কলকাতায় অবস্থান করে মুক্তিযুদ্ধের আর্কাইভাল কাজের সঙ্গে সংযুক্ত থেকে দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদান রাখেন। ওয়ার্ল্ড এনসাইক্লোপিডিয়া অব উইমেন’স হিস্টোরি এবং অক্সফোর্ড ডিকশোনারি অব ন্যাশনাল বায়োগ্রাফিতে প্রকাশিত রোকেয়ার জীবনীটা তিনিই লিখেছেন।

Related সাহিত্য Articles

Similar Posts From সাহিত্য Category

No Comments so far

Jump into a conversation

No Comments Yet!

You can be the one to start a conversation.

Your data will be safe!Your e-mail address will not be published. Also other data will not be shared with third person.