‘ ন্যায়-নীতি-বিবেক বহুদিন আগেই বিদায় নিয়েছে’

‘ ন্যায়-নীতি-বিবেক বহুদিন আগেই বিদায় নিয়েছে’ জুলাই ১৪, ২০১৬ ০ comments

রঙিন ডেস্ক : বলিউডে সবাই সবাইকে ঠকাচ্ছেন। স্বামী স্ত্রীকে ঠকাচ্ছেন, প্রেমিক প্রেমিকাকে ঠকাচ্ছেন। কেউ বাদ নেই ঠকানোর প্রতিযোগিতায়। এমনটাই দাবি করেছেন বলিউডের অন্যতম প্রযোজক এবং পরিচালক করণ জোহর।

করণ জানিয়েছেন, বলিউডে ন্যায়-নীতি-বিবেক বহুদিন আগেই বিদায় নিয়েছে। যৌনতার কাছে মাথা নত করেছে আজ সবাই। অবশ্য এসব নিয়ে বলিউডি তারকাদের মধ্যে কোনো সমস্যা নেই বলেও মনে করেন করণ। তাঁর অভিজ্ঞতার ঝুলি থেকে তিনি জানালেন, ‘এখন বহু সেলিব্রেটির শর্ত একটাই, যা কিছু করো কোনো আপত্তি নেই। বাধাও নেই তেমন কোনো। শুধু ওপরে একটা চাদর ঢাকা দিয়ে নাও। তাহলেই ব্যস। আর এ নীতি নিয়েই দিব্যি চলছে সবাই। সম্পর্কও ঠিক থাকছে, আবার খুশিও হচ্ছেন সকলে।’

তবে এই অতি আধুনিকতার মধ্যেও ব্রেকআপ, ব্রেকডাউন কিংবা চোখের পানি সবই রয়েছে। করণ মনে করেন, বিশ্বাসঘাতকতা আগেও ছিল, এখনো আছে। তবে হয়তো বিশ্বাসঘাতকতার সংজ্ঞা পাল্টেছে। আগে যেটা খোলাখুলি হতো না, এখন সেটা স্রেফ একটা লোকচক্ষুকে আড়াল করার জন্য শুধু একটা চাদর জড়িয়ে চলছে। আজকাল আর রাখঢাকের বালাই নেই বলেই মনে করেন করণ জোহর।

করণ বললেন, ‘আমরা আগে ভাবতাম, নারীরা হয়তো বিশ্বস্ত হয়। তারা তাদের স্বামী কিংবা প্রেমিককে ঠকাবে না, তা কিন্তু এ যুগে দাঁড়িয়ে ১০০ শতাংশ সত্যি নয়। অবশ্য এ ক্ষেত্রে পুরুষরা যদি তাদের ঠকাতে পারে, তাহলে নারীরাও বা পুরুষদের ঠকাবে না কেন?’ প্রশ্ন তুললেন তিনি নিজেই। করণ বলেন, ‘পুরুষ তারকারা যদি অন্য নারীদের নিয়ে কথা বলেন, তাহলে নারী তারকারাও কেন অন্য পুরুষদের নিয়ে কথা বলবেন না?’

তবে এটা ভালো না খারাপ, তা জানেন না করণ জোহর। কিন্তু তিনি মনে করেন, ‘ডায়েট করার সময় যে খাবারগুলো খেতে পারা যায় না, সেই খাবারগুলো বেশি সুস্বাদু লাগে। সেই জিনিসই হয়তো এখন চারদিকে…।’ করণ সাফ জানিয়ে দিলেন, ‘এত বছর ধরে পারফেক্ট রিলেশনশিপ সম্পর্কে একটা সুন্দর কল্পনা করে এসেছি আমরা অনেকেই, আর এখন… পারফেক্ট রিলেশনশিপকে কী করে ঠকানো যায়, সেটাই হয়ে উঠেছে অন্যতম বিষয়।’

টিএইচ/এএইচ

No Comments so far

Jump into a conversation

No Comments Yet!

You can be the one to start a conversation.

Your data will be safe!Your e-mail address will not be published. Also other data will not be shared with third person.