থেমে না পড়ার অনুপ্রেরণা জোগায় যে গান

থেমে না পড়ার অনুপ্রেরণা জোগায় যে গান জুন ৮, ২০২০ ০ comments

রঙিন ডেস্ক : ‘ও আলোর পথযাত্রী, এ যে রাত্রী, এখানে থেমো না’ উপমহাদেশের কিংবদন্তি সঙ্গীত ব্যক্তিত্ব সলিল চৌধুরীর এই উদ্দিপনামূলক গণসঙ্গীতটি শোনেনি, এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া যাবে না। ‘ঘুম ভাঙার গান’ অ্যালবামের এই গানটি রচিত হয়েছিল ১৯৪৯ সালে। কাল অতিক্রম করা এই গানটি আজও আমাদের বিপদে-সংকটে আলোর পথ দেখায়, থেমে না পড়ার অনুপ্রেরণা জোগায়।

বিশ্বব্যাপী আমরা সবাই করোনা আতঙ্কে গৃহবন্দী। অনেক মানুষ ইতিমধ্যেই কাজ হারিয়েছেন। ফুরিয়ে আসছে সঞ্চয়। গৃহবন্দি এই পাথর-সময়ে ‘ও আলোর পথযাত্রী, এ যে রাত্রী, এখানে থেমো না’ গানের সুর নতুন করে আমাদের সাহস জোগায়। নির্বিকল্প ও অনবদ্য এই গানের সুর নতুন কম্পোজিশনে ইন্সট্রুমেন্টাল ভার্সন উপহার দিয়েছেন বাংলাদেশ ও ভারতের ১২ জন মিউজিশিয়ান। তাঁরা হলেন, রাহুল চ্যাটার্জী, স্নেহাশীষ মজুমদার, মোরশেদ খান, পেয়ারু খান, কাজী অরিন্দম, সৌম্যজ্যোতি ঘোষ, গোপা দে সরকার, তাপস রায়, ফুয়াদ নাসের বাবু, সম্রাট বোস, ওয়ালটার দিয়াস ও রকেট মন্ডল। গানটির সুর নতুনভাবে কম্পোজিশন করেছেন ভারতের মিউজিশিয়ান-কম্পোজার রকেট মন্ডল।

ভারতীয় সঙ্গীত পরিচালক ও সুরকার রকেট মন্ডল বলেন, দাদার গানে প্রেরণাদায়ক বিষয় রয়েছে। চলমান এই লকডাউনের ফলে আমরা অনেকেই চাকরি হারানো এবং হতাশাগ্রস্থ হওয়ার আশঙ্কা করতে শুরু করেছি। ফলে এই গানটির কথাই বারবার মনে আসে আমার।

তিনি আরও বলেন, গানের ইন্সট্রুমেন্টাল ভার্সন ভারত এবং বাংলাদেশ থেকে সবাই মিলে এটি রেকর্ড করেছিলেন। আমার সৌভাগ্য হয়েছিল এমন একজন শিল্পীর সাথে কাজ করার জন্য। তার গানের লিরিক্যাল মান রয়েছে এবং এখনও প্রাসঙ্গিক। এত বছর পরও সেই একই আবেদন রয়েছে।

বাংলাদেশের খ্যাতিমান সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক ফুয়াদ নাসের বাবু বলেন, আমাকে কাজটির বিষয়ে যখন বলা হয় রাজি হয়ে যাই। বাংলা গানের ইতিহাসে একটি সমৃদ্ধ গান এটি। বলা মাত্রই আমি পিয়ানো নিয়ে বসে পড়ি। শ্রোতারাই কাজটি পছন্দ করবেন আশা করি।

গানটি আজ ৭ জুন রাতে জনপ্রিয় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আরটিভির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে প্রকাশিত হবে।
এ ব্যাপারে আরটিভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশিক রহমান বলেন, আরটিভি এই সঙ্গীতায়োজন ও প্রচারের সাথে সম্পৃক্ত হতে পেরে আনন্দিত। আশা করি, এই বিষন্ন সময়ে আমরা সবাই ‘আলোর পথ যাত্রী’ হয়ে এগিয়ে যাবো; আমাদের ‘আশার তরণী’ কোনো ‘বালুর চরে’ থামবেনা। আমরা যতই ‘শ্রান্ত’-‘রিক্ত’ হই না কেন আমরা ‘হাল ছাড়বো না’। আমাদের ‘ছিন্ন পালে জয় পতাকা তুলে সূর্য তোরণে’ হানা দেবোই দেবো।

আরো পড়ুন:- মালাইকাকে বিয়ে প্রসঙ্গে যা বললেন অর্জুন

উল্লেখ্য, ভারতীয় সঙ্গীত পরিচালক, গীতিকার, সুরকার এবং গল্পকার সলিল চৌধুরী। তিনি বাংলা, হিন্দি, এবং মালায়লাম চলচ্চিত্রে সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন। আধুনিক বাংলা গানের সুরস্রষ্টা হিসেবে এবং গণসঙ্গীতের প্রণেতা হিসেবে একজন স্মরণীয় বাঙালি।

আরপি/ এএইচ

No Comments so far

Jump into a conversation

No Comments Yet!

You can be the one to start a conversation.

<