চুক্তি অনুযায়ী ভ্যাকসিন পাবো : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জানুয়ারি ৪, ২০২১ ০ comments

রঙিন ডেস্ক : চুক্তি মোতাবেক করোনা ভ্যাকসিন পাওয়ার প্রত্যাশ্যা ব্যক্ত করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, আমাদের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির চুক্তি আছে। আমরা সে অনুযায়ী ভ্যাকসিন পাবো। চুক্তি হলে ভ্যাকসিন দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সবার সঙ্গে কথা হয়েছে; তারা বলেছেন- আপনারা চুক্তি অনুযায়ী ভ্যাকসিন পাবেন।

সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন প্রাপ্তি নিয়ে করা চুক্তি প্রসঙ্গে সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান তিনি।

তিনি বলেন, আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কথা হয়েছে। তারা আশ্বস্ত করেছে। তারা বলেছে, আশাহত হবেন না। আমরা আশাবাদী।

আরো পড়ুন <>  করোনা ভ্যাকসিন পাওয়া নিয়ে সংশয়!

মন্ত্রী জানান, ভ্যাকসিন পাওয়ার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে যে পদক্ষেপ আছে তা হয়ে গেছে। অনুমোদনও হয়ে গেছে। সব চুক্তি হয়ে গেছে। চুক্তি অনুযায়ী অর্ধেক টাকা পাঠাতে হবে। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা উদ্ভাবিত ভ্যাকসিন ভারতে তৈরি করছে দেশটির সেরাম ইনস্টিটিউট। গত ১৩ ডিসেম্বর ওই ভ্যাকসিন কেনার জন্য সরকার সেরাম ইনস্টিটিউট ও বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের সঙ্গে চুক্তি করে। ওই চুক্তি অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে শুরু করে পরবর্তী ছয় মাসে ৫০ লাখ করে মোট ৩ কোটি টিকা পাওয়ার কথা বাংলাদেশের।

তবে সোমবারই খবর ছড়িয়ে পড়ে ভারতের যে প্রতিষ্ঠান থেকে এই ভ্যাকসিন কেনা হচ্ছে, তারা বলেছে, আগামী দুই মাসে তারা আগে স্থানীয় চাহিদা মেটাবে। এরপরই আগ্রহী দেশগুলোয় ভ্যাকসিন রপ্তানি করা হবে। এ নিয়েই বাংলাদেশের ভ্যাকসিন পাওয়া নিয়ে শঙ্কার কথা শোনা যায়।

নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটির সঙ্গে চুক্তি করা অন্যান্য দেশগুলোকে ভ্যাকসিন পেতে আরও কয়েক মাস অপেক্ষা করা লাগতে পারে বলে জানা গেছে।

ভ্যাকসিন রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গে সিরাম ইনস্টিটিউটের সিইও আদর পুনাওয়ালা বলেন, কয়েক মাসের জন্য ভ্যাকসিন রফতানির অনুমতি দেয়া হবে না। ভারতীয়রা যাতে যথাযথভাবে ভ্যাকসিন পায় সেজন্য এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, বর্তমানে ভারতের এক কোটিরও বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। যা বিশ্বের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। দেশটিতে প্রায় দেড় লাখ লোক ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হওয়ার পর মারা গেছেন।

জানা যায়, করোনা ভ্যাকসিন বণ্টন পরিকল্পনার শুরুতেই ভারত ৩০ কোটি জনগণকে ভ্যাকসিন দিতে চায়। যার মধ্যে অগ্রাধিকার পাচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্মী, পুলিশসহ মহামারি মোকাবেলায় সামনের সারির যোদ্ধারা।

এএইচ

No Comments so far

Jump into a conversation

No Comments Yet!

You can be the one to start a conversation.

<