উর্দুতে লেখা মহাভারত পাওয়া গেল লখনউতে

উর্দুতে লেখা মহাভারত পাওয়া গেল লখনউতে অক্টোবর ২, ২০১৫ ০ comments

রঙিন ডেস্ক: উর্দুতে লেখা মহাভারত পাওয়া গেছে ভারতের লখনউতে। তাও আবার ৩শ বছর আগে লেখা। আর এই নিয়ে ভারত জুড়ে শুরু হয়েছে হৈচৈ। উর্দুতে লেখা এই মহাভারত দেখার জন্য প্রতিদিনই দল বেধে সাধারণ মানুষ ও পন্ডিরা আসছেন লখনউ’র কারবালা কলোনীর মঞ্জুল পরিবারে।

‘পয়মন্ত’ বলেই বইটিকে জানত লখনউ-এর কারাবালা কলোনির মঞ্জুল পরিবার। ব্যাস এটুকুই। সম্প্রতি বইটির কথা প্রকাশ্যে আসতেই বুঝতে পেরেছেন তারা এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব। বইটি উর্দু ভাষায় লেখা মহাভারত। ৩০০ বছরের পুরনো। পরিবারের বর্তমান প্রজন্ম পারিবারিক সংগ্রহ ঘাঁটতে গিয়ে খুঁজে পান এই অমূল্য সম্পদ। তারপর লোকমুখে প্রচার। আর এখন নিত্যদিনই গবেষক, আত্মীয়-বন্ধুরা আসছেন কারাবালার মঞ্জুলদের বাড়িতে। একবার স্বচক্ষে উর্দু মহাভারত দেখতে।

মঞ্জুল পরিবারের প্রবীণ সদস্যা শাহিন আখতার জানান, ‘বইটি পয়মন্ত বলে জানতাম।’ তার ছেলে ফরমান বলেন, “বাবার মৃত্যুর পর বইটি খুঁজে পাচিছলাম না। পুরনো নথি ঘাঁটতে গিয়ে খুঁজে পাই সেটা।” ফরমান বইটার গুরুত্ব বোঝায় সেটা জনসমক্ষে এসেছে।

উর্দু মহাভারত পড়েছেন মা শাহিন আখতার। তার কথায়, “টিভিতে সিরিয়াল দেখার চেয়ে মহাভারত পড়াটা আমার কাছে এখন অনেক ভাল মনে হচেছ।”

জানা গিয়েছে, এই প্রাচীন বই মঞ্জুল পরিবারের আসে তাদের পূর্বপুরুষ মাওয়ালি হুসেন নাসিরাদির হাত ধরে।

মঞ্জুলদের এক পারিবারিক বন্ধু এবং ধর্মীয় শিক্ষক ওয়াহিদ আববাস বলেন, মহাভারত এখানে গল্পের ছলে লেখা হয়েছে। প্রতিটি পর্বের শুরুতে আরবিতে মুখবন্ধ রয়েছে। মহাভারতটি উর্দুতে অনুবাদ করেছিলেন হাজি তালিব হুসেন ও তার বন্ধু দুর্গা প্রসাদ।

বইটি পড়ে মানসিকতায় যে বদল এসেছে তা জানাচেছন শাহিন আখতার। তিনি জানালেন, “মহাভারত পড়েই জেনেছি, ক্রোধ পতনের কারণ। সেটাই এখন ছেলেদের বোঝাই।”

এএইচ/

No Comments so far

Jump into a conversation

No Comments Yet!

You can be the one to start a conversation.

<